Skip to main content

বগুড়া থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার | Bogura to dhaka Distance

বগুড়া থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার- বা ঢাকা থেকে বগুড়া কত কিলোমিটার অনেকই অনলাইনে জানার জন্য খুজে থাকেন। অনেকের সুবিধার কথা চিন্তা করেই আজকে আমি এই পোস্ট এর মাধ্যমে জানাবো বগুড়া থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার বা ঢাকা থেকে বগুড়া কত কিলোমিটার। এছাড়াও বগুড়া থেকে পাশ্ববর্তী জেলা সমূহের দূরত্ব জানানোর চেষ্টা করবো। বগুড়া থেকে ঢাকা কি যোগে যেতে পারবেন এই সকল বিষয় আলোচনা করা হবে। বিস্তারিত জানতে অবশ্যই পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

বগুড়া থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার

বগুড়া থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার

বগুড়া থেকে ঢাকা ১৮৫.৫ কিলোমিটার। বগুড়া থেকে ঢাকা সিরাজগঞ্জ রোড মহাসড়ক ধরে যেতে হয়। অথাৎ বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ রোড হয়ে টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকা। বাসে যেতে প্রায় ৫ ঘন্টা ১৮ি মিনিট সময় লাগে।

বগুড়া থেকে ঢাকার দূরত্ব

বগুড়া থেকে ঢাকার দূরত্ব প্রায় ১৮৬ কিলোমিটার। ট্রেন যোগে যেতে বাসের থেকেও বেশি সময় লাগে। অথাৎ ট্রেন লাইন বগুড়া থেকে রাজশাহী হয়ে ঘুরে আসে জন্য বগুড়া থেকে ঢাকায় বাস যোগে যাওয়াই ভালো।

ঢাকা থেকে বগুড়া কত কিলোমিটার

ঢাকা থেকে বগুড়া ১৮৫.৫ কিলোমিটার। বাস এবং ট্রেন উভয় পথেই যাওয়া যায়। যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই ভালো। ঢাকা হতে বগুড়া যেতে টাঙ্গাইল মহাসড়ক হয়ে সিরাজগঞ্জ রোড হয়ে সোজা বগুড়া।

ঢাকা থেকে বগুড়া দূরত্ব

ঢাকা থেকে বগুড়ার দূরত্ব ১৮৬ কিলোমিটার।

ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ কত কিলোমিটার

ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ১৩১.৩ কিলোমিটার। ঢাকা হতে ভায়া টাঙ্গাইল রোড হয়ে সিরাজগঞ্জ এর দূরত্ব প্রায় ১৩১.৩ কিলোমিটার। বাস এবং ট্রেন উভয় মাধ্যমেই ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যাতায়াত করা যায়। বাস যোগে সিরাজগঞ্জ হতে ঢাকায় যাওয়ার মধ্যে মাঝখানে যমুনা সেতু বিদ্যমান। যার অপর নাম বঙ্গবন্ধু সেতু।

ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ এর দূরত্ব

ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ শহর এর দূরত্ব ১৩১.৩ কিলোমিটার

ঢাকা থেকে রংপুর কত কিলোমিটার

ঢাকা  থেকে রংপুর এর দূরত্ব ৩০১.৪ কিলোমিটার প্রায়। ঢাকা হতে বগুড়া ভায়া হয়ে রংপুর মহাসড়ক বিদ্যমান। এখানে ঢাকা থেকে বাস যোগে যাতায়াত করা যায় আবার ট্রেইন যোগেও যাতায়াত করা যায়। অনেকেই বাসে যাতায়াত করেন আবার অনেকেই ট্রেইন এ যাতায়াত করেন। েঢাকা হতে রংপুর এ যেতে প্রায় ৭ ঘন্টা ৫৯ মিনিট এর মতো সময় লাগে বাস যোগে। 

ঢাকা থেকে দিনাজপুর কত কিলোমিটার

ঢাকা থেকে দিনাজপুর এর ‍দূরত্ব ৩৩৫ কিলোমিটার। যেতে প্রায় সময় লাগে ৮ ঘন্টা ২ মিনিট এর মতো। বাস এবং ট্রেন উভয় মাধ্যমেই ঢাকা থেকে দিনাজপুর যাতায়াত করা যায়।

ঢাকা থেকে দিনাজপুরের দূরত্ব

ঢাকা থেকে দিনাজপুর এর দূরত্ব প্রায় ৩৩৪ কিলোমিটার বা ৩৩৫ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে দিনাজপুর এর দূরত্ব অধিক  হওয়ায় যেই যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো সেটিতে যাওয়া উত্তম। 

ঢাকা থেকে দিনাজপুর বাস ভাড়া

ঢাকা থেকে দিনাজপুর এর দূরত্ব ৩৩৫ কিলোমিটার হওয়ায় এর বাস ভাড়াও অনেকটাই গুনতে হয়। ঢাকা থেকে দিনাজপুর এর বাস ভাড়া প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। 
 

ঢাকা থেকে পঞ্চগড় কত কিলোমিটার

 ঢাকা থেকে পঞ্চগড় এর দূরত্ব ৪১৮ কিলোমিটার। এখানে বাস যোগে যাতায়াত করা ভালো। বাস যোগে পঞ্চগড় যেতে সময় লাগে প্রায় ৯ ঘন্টা ৫৮ মিনিটি এর মতো। 

ঢাকা থেকে পঞ্চগড় বাস ভাড়া 

ঢাকা থেকে পঞ্চগড় এর দূরত্ব ৪১৮ কিলোমিটার হওয়ার এর বাস ভাড়া প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকার মতো। তবে ট্রেনে গেলে এর ভাড়া অনেকটাই কম লাগে। 

দিনাজপুর থেকে ঢাকা কত কিলোমিটার

দিনাজপুর থেকে ঢাকা ৩৩১ কিলোমিটার। বাসে যেতে সময় লাগে ৮ ঘন্টা ২৮ মিনিট এর মতো। 
  

ঢাকা থেকে রাজশাহী কত কিলোমিটার

ঢাকা থেকে রাজশাহী শহর এর দূরত্ব ২৪৭ কিলোমিটার। বাসে যেতে সময় লাগে ৫ ঘন্টা ৩৬ মিনিটি এর মতো। 

ঢাকা থেকে রাজশাহী বাস ভাড়া

বাস ভেদে এর ভাড়ার বিভিন্ন তারতম্য হয়ে থাকে। তবে সাধারণত ভালো মাসের কোস এ ঢাকা থেকে রাজশাহী যেতে বাস ভাড়া লাগে ৬০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকার মতো। 

ঢাকা থেকে রাজশাহী যেতে কত সময় লাগে

ঢাকা থেকে রাজশাহী এর দূরত্ব ২৪৭ কিলোমটার হওয়ায় এখানে বাসে আসতে সময় লাগে ৫ ঘন্টা ৪০ মিনিট এর মতো। 

ঢাকা থেকে নীলফামারী কত কিলোমিটার

ঢাকা থেকে নীলফামারী এর দূরত্ব ৩৫০ কিলোমিটার। বাস এ ঢাকা থেকে নীলফামারী যেতে সময় লাগে প্রায় ৮ ঘন্টা ৩০ মিনিট এর মতো। 

ঢাকা থেকে নওগাঁর দূরত্ব

ঢাকা থেকে নওগাঁ এর দূরত্ব ২৪০ কিলোমিটার এর মতো। বাস এ ঢাকা থেকে নওগাঁ যেতে সময় লাগে প্রায় ৬ ঘন্টা ৫ মিনিট এর মতো। 

উপরোক্ত পোস্টে আমরা চেষ্টা করেছি ঢাকা থেকে বিভিন্ন শহর এর ‍দূরত্ব এবং যাতায়াত সময় এর বিষয়টি আলোচনা করার। আশাকরি পোস্টটি পড়ে উপকৃত হবেন। 

Comments

Popular posts from this blog

সোলার প্যানেল (Solar Panel) ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা ও দাম

সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়িনিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প মাধ্যম। কম বেশি আমরা সবাই জানি সোনাল প্যানেল সূর্যের তাপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে। সোলার প্যানেল যেমন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা আছে, তেমনি আবার এটি ব্যবহারে বেশ অসুবিধাও রয়েছে। এটি ব্যবহার বা কিনতে হলে কত টাকার প্রয়োজন হবে; আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে আমরা বিস্তারিত জানবো।  সোলার প্যানেল (Solar Panel) কি? সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়নিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্নের বিকল্প একটি মাধ্যম। অথাৎ সূর্য্যের তাপ কে ফটোভোলটাইক এ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার মাধ্যমই হলো সোলার প্যানেল। সোলার প্যানেল শক্তির উৎস হিসেবে সূর্যের আলোকে শোষণ করে। সোলার প্যানেল সূর্যের তাপশক্তি শোষণ করে বৈদ্যুতিক প্রবাহ  তৈরি করে। মূলত একটি গ্লাস লেয়ারের সাথে ইন্সুলেট লেয়ার এবং প্রতিরক্ষামূলক সীট এর সমন্বয়ে সোলার প্যানেল তৈরি হয়। যার উপর সূর্যের আলো পড়ে এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। অথাৎ এক কথায় আমরা বলতে পারি সূর্যের তাপের সৌরশক্তি শোষণ করে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে এই সোলার সিস্টেম।  সোলার প্যানেল কত প্রকার? সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনই হলো স

কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

Bangladesh Community Clinic job circular 2023 has been published under Director General of Health Service Bangladesh. Bangladesh Community clinic job circular 2023. Director General of Health Service job Circular 2023. কমিউনিটি ক্লিনিক এ বিভিন্ন পদে  নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক এ প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে একাধিক পদ বিদ্যমান রয়েছে। আবেদন করতে বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ ভালো ভাবে পড়ে দেখুন।  কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সামারি: Name of Organization : Bangladesh Community Clinic under Director General of Health Service. Name of Vacancy Post : একাধিক পদ Total Vacancy: See the job circular Apply Last Date: See the job circular Job Location : Your Community Clinic Under Your Block   Bangladesh Community Clinic Job Circular 2020 PDF Community Clinic Jobs Circular Official website: http://cc.recruitmentbd.net/ আবেদন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুণ Bangladesh Community Clinic Job Circular 2023.

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ভুল সংশোধন

ড্রাইভিং লাইসেন্স কি এটা মনে হয় আমরা মোটামুটি সকলেই জানি। তবে ড্রাইভিং লাইসেন্স হচ্ছে মূলত মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী সড়কে বা সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় গাড়ি চালানোর অনুমতি পত্র বা কার্ড। অথাৎ এই কার্ড এর মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি সড়কে বা সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়ে থাকে। তবে এই লাইসেন্স না থাকলে যে গাড়ি চালানো যাবে না এই নজির বাংলাদেশ এ খুব কমই চোখে পড়ে। আবার লাইসেন্স বিহীন ভাবে গাড়ি চালাতে অনেকেই কেস খেয়েছেন এমন নজির ও কম নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ড্রাইভং লাইসেন্স করতে প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।এই লার্নার সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে দেওয়া হয়ে থাকে। তবে প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলায় বিশেষ করে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে এটি পেতে পারেন। তবে বেশ কিছু শত্য রয়েছে এটার জন্য। প্রথমত আপনাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য নূন্যতম বয়স ২০ বছর হতে হবে। তবে অপেশাদার হিসেবে ১৮ বছর হলেই হবে।  লার্নার এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি:  প্রথমত আপনার প্রয়োজনীয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্ধারিত আবেদন ফরম।  রেজিষ্ট্রার ডাক্তার কর্তৃক আ