Skip to main content

Adobe illustrator (গ্রাফিক্স ডিজাইন) টুলস পরিচিতি

গ্রাফিক্স ডিজাইন বলতে আমরা প্রায় সবাই বুঝি। কম্পিউটার এ এই গ্রাফিজ ডিজাইন এর সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়ার হলো Adobe Illustrator. এই সফটওয়ার ব্যবহার করে ডিজাইন করতে হলে আমাদের অবশ্যই এই সফটওয়ার এর টুলস পরিচিত থাকা আবশ্যক।


Adobe Illustrator কি?

এডব ইলাস্ট্রেটর হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্যাকেজ প্রোগ্রাম। ইলাস্ট্রেটরের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করা হয়ে থাকে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Adobe Corporation (অ্যাডৌবি কর্পোরশেন) কর্তৃক বাজারজাত করা হয়েছে। Adobe Illustrator গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্যাকেজ প্রোগ্রামটি সর্বপ্রথম বাজারজাত হয় Apple Macintosh কম্পিউটারে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে। কালক্রমে IBM বা IBM Compatible Computer এর মধ্যে Windows Supported Illustrator বাজারজাত করা হয়। লন্স করার সময় থেকেই এই গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রোগ্রামটি এখন পর্যন্ত অনেক ভার্সনের অ্যাডৌবি ইলাস্ট্রেটর বাজারে ছেরেছে। 

কার্যক্ষেত্রে Adobe Illustrator এর ব্যবহার:

আমরা আগে থেকেই অবগত হয়েছি যে, Adobe Illustrator একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন প্যাকেট প্রোগ্রাম। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করা যায়। ইহা Desktop Publishing গ্রুপের একটি অতি সহায়ক প্যাকেজ প্রোগ্রাম। যে প্যানেজ প্রোগ্রাম এর মধ্যে লেখা এবং ছবি কে সমন্বয় সাধন করা যায় তাকে Desktop Publishing বলা হয়। Illustrator নিংঃসন্দেহে একটি ডেক্সটপ পাবলিশিং প্যাকেজ প্রোগ্রাম। এর সাহায্যে খুব সুন্দর ভাবে মনের ইচ্ছেমত লেখা এবং ছবি কে সমন্বয় সাধন করা যায়। এছাড়াও Adobe Illustrator বিশ্লেষণ করলে বাস্তবক্ষেত্রে নিম্নোক্ত উপযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। 

যেমন: 

  • যে কোন ডিজাইন উপস্থাপনায় রেখা এর কাজ করা যায়।
  • পত্রিকা এবং বইয়ের কভার পেজ মনের মতো বানানো যায়। 
  • লেখা এবং ছবি এক সাথে সমন্বয় সাধন করে মনের ইচ্ছেমত সাজানো যায়।
  • বিজ্ঞাপন, পোস্টার, লিফলেট ইত্যাদি সুন্দর ভাবে ডিজাইন করা যায়। 
  • বিভিন্ন ধরনের নিমন্ত্রণ কার্ড ভালো ভাবে তৈরি করা যায়।
  • সর্বোপরি বলা যায় ডিজাইন এর সকল কাজ Adobe Illustrator এর বিশ্লেষণ করলে খুব সহজে তৈরি করা যায়। 

Adobe Illustrator চালুকরণ:

অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর প্যাকেজ প্রোগ্রামটি চলে Windows Operating System এর মাধ্যমে। অথাৎ ইহা একটি Windows Base Program। এই কারণে Adobe Illustrator টি চালু করার আগে Windows Operating System চালু করতে হয়। এজন্য প্রয়োজন Windows Operating System এর নূন্যতম ধারণা। আমাদের মনে হয় যেহেতু আপনি অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর প্যাকেজ প্রোগ্রামটি শিখতে চাচ্ছেন বা চান তাহলে Windows Operating System সম্পর্কে আপনার অবশ্যই কিছুটা হলেও ধারণা আছে। যদি আপনি Windows Operating System সম্পর্কে পূর্বে থেকেই অবগত থাকেন তাহলে Windows এর Desktop থেকে 
>> Start Click >> Program Click >> Adobe Click >> Adobe Illustrator Click 
সর্বশেষ Adobe Illustrator এ ক্লিক করলেই অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর এর লোগো দেখা যাবে এবং তার পরপরই এর উইন্ড্রোজ দেখা যাবে। 

Adobe Illustrator এর উইড্রো পরিচিতি: 

ডিফল্ট সেটিং অনুসারে নতুন কোন অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর এর উইন্ড্রোজ এ টাইটেল মেনু, মেনু বার, হরিজোনটাল স্খুল বার, ভেটিকেল বার, আর্ট বার, টুলট বক্স ইত্যাদি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সমূহ দেখা যায়। অ্যাডোবি এর এই উইন্ড্রো থেকেই যে কোন কাজের সূচনা হয়। তাই উইন্ড্রো টুলস পরিচিত আবশ্যক। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় কোন লোককে ব্যবহার করতে হলে তাকে আগে চিনতে হয়। অথাৎ কোন লোকের মাধ্যমে কোন কাজ করানোর আগে জানতে হয় ঐ লোকের মাধ্যমে কাজটি করানো সম্ভব কি না। না জেনে কারো উপর কোন কাজ চাপিয়ে দিলে ঐ কাজটি না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ঠিক একই রকম বিষয় আমরা অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর এর মাধ্যমে ডিজাইন করতে হলে সবকিছুই করতে হবে ঐ উইন্ড্রো এর ভিতরে। যদি ঐ উইন্ড্রো ভাল করে না চিনতে পারি তাহলে ভাল ডিজাইন করাও সম্ভব নয়। অথাৎ বলা যায় ভাল ভাবে কোন  কিছুর ডিজাইন করতে হলে অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর এর উইন্ড্রো অবশ্যই পরিচিত হবে হবে। 

টাইটেল বার: 
আমরা জানি টাইটেল শব্দের অর্থ হলো উপাধি। যে কোন প্যাকেজ প্রোগ্রাম এর উপাধি অথাৎ যে বারের মধ্যে দেওয়া থাকে সেটিই হলো টাইটেল বার। সহজ ভাষায় উইন্ড্রো এর শীর্ষদেশকে টাইটেল বার বলা হয়। 

মেনু বার: 
আমরা জিানি মেনু শব্দের অর্থ হলো তালিকা। উইন্ড্রোতে ফাইল, এডিট, হেল্প (সাহায্য) এরকম নামক নয়টি অপশন (শব্দ) বিদ্যমান। এগুলোকে যে কোনটিতে ক্লিক করলে একটি তালিকা দেখা যায়। সুতরায় আমরা বলতে পারি এগুলো প্রত্যেকটি এক একটি মেনু। আর মেনুগুলোর সমষ্টিকে একত্রে মেনু বার বলা হয়। 

স্ক্রোল বার: 
কোন পেজ এর চতুর্দিকে দেখার জন্য যে বার ব্যবহার করা হয় তাকে স্কোল বার বলা হয়। কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় সর্বক্ষেত্রেই ডানে বামে কোন কিছু বোঝাতে হলে হোরিজোনটাল এবং উপরে নিচে বোঝাতে হলে ভেটিক্যাল বলা হয়। সুতরাং এক্ষেত্রে কোন পেজ এর ডান দিক বা বাম দিক দেখতে হলে নিচের দিকে বিদ্যমান যে বারটি ব্যবহার করা হয় তাকে হোরিজোনটাল স্কোল বার বলা হয়। অপরদিকে কোন পেজ এর উপর  দিকে বা নিচ দিকে দেখতে হলে ডান দিকে বিদ্যমান যে বারটি ব্যবহার করা হয় তাকে ভেটিক্যাল স্কোল বার বলা হয়। 

স্ক্যাচ এরিয়া: 
পৃষ্ঠার চার পাশে বিদ্যমান খালি জায়গার নাম স্ক্যাচ এরিয়া। পৃষ্ঠাতে আর্টবোর্ড সংযোজনের উদ্দেশ্যে যে কোন আইটেম কে স্ক্যাচ এরিয়া তে অপেক্ষামান অবস্থায় রাখা যায়। প্রকৃত অর্থে স্ক্যাচ এ রিয়া পৃষ্ঠার আর্টবোর্ডের সাইজ অপেক্ষা বড় হয় বা স্কোল বার এর মাধ্যমে অবলোকন করা যায়। সবসময় মনে রাখতে হবে স্ক্যাচ এরিয়া তে যা থাকবে তা সম্পূর্ণটাই নিরাপত অথাৎ স্ক্যাচ এরিয়াতে যা থাকবে তাই প্রিন্ট হবে। 

টুল বক্স: 
অ্যাডৌবি ইলাস্ট্রেটর এর উইন্ড্রো এর মধ্যে বামে বিভিন্ন টুলস সম্বলিত একটি বক্স দেখা যায়। যার নাম টুলস বক্স। বিভিন্ন রকমের অবজেক্ট তৈরি, এডিটিং উপস্থাপন, কালার ম্যানেজমেন্ট, ড্রইং ইত্যাদি। অ্যাডোবি এর প্রধান ্প্রধান কাজগুলো করার জন্য এই টুলস বক্স থেকে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা অর্জন করা যায়। 

শেষ কথা: 

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা জানতে পারলাম Adobe Illustrator কি, Adobe Illustrator কার্যক্ষেত্রে ব্যবহার, Adobe Illustrator সফটওয়ার চালুকরণ / রান এবং উইন্ড্রো পরিচিত। পরিচিতির মধ্যে টাইটেল বার, মেনু বার, স্ক্রোল বার, স্ক্যাচ এরিয়া, টুল বক্স উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও Adobe Illustrator এর আরো বিভিন্ন টুলস এবং কার্যক্ষেত্রে ব্যবহার রয়েছে। বলতে গেলে এত অল্প সময়ে এর বিস্তারিত বর্ণনা সম্ভব নয়। আমরা শুধু চেষ্টা করেছি Adobe Illustrator এর ব্যসিক কার্যক্ষেত্রে ব্যবহার সমূহ টুলস পরিচিত করার। অন্য কোন দিন এ বিষয়ে ধারাবারিক ভাবে পরিবেশনের চেষ্টা করবো। 

Comments

Popular posts from this blog

সোলার প্যানেল (Solar Panel) ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা ও দাম

সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়িনিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প মাধ্যম। কম বেশি আমরা সবাই জানি সোনাল প্যানেল সূর্যের তাপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে। সোলার প্যানেল যেমন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা আছে, তেমনি আবার এটি ব্যবহারে বেশ অসুবিধাও রয়েছে। এটি ব্যবহার বা কিনতে হলে কত টাকার প্রয়োজন হবে; আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে আমরা বিস্তারিত জানবো।  সোলার প্যানেল (Solar Panel) কি? সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়নিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্নের বিকল্প একটি মাধ্যম। অথাৎ সূর্য্যের তাপ কে ফটোভোলটাইক এ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার মাধ্যমই হলো সোলার প্যানেল। সোলার প্যানেল শক্তির উৎস হিসেবে সূর্যের আলোকে শোষণ করে। সোলার প্যানেল সূর্যের তাপশক্তি শোষণ করে বৈদ্যুতিক প্রবাহ  তৈরি করে। মূলত একটি গ্লাস লেয়ারের সাথে ইন্সুলেট লেয়ার এবং প্রতিরক্ষামূলক সীট এর সমন্বয়ে সোলার প্যানেল তৈরি হয়। যার উপর সূর্যের আলো পড়ে এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। অথাৎ এক কথায় আমরা বলতে পারি সূর্যের তাপের সৌরশক্তি শোষণ করে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে এই সোলার সিস্টেম।  সোলার প্যানেল কত প্রকার? সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনই হলো স

কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

Bangladesh Community Clinic job circular 2023 has been published under Director General of Health Service Bangladesh. Bangladesh Community clinic job circular 2023. Director General of Health Service job Circular 2023. কমিউনিটি ক্লিনিক এ বিভিন্ন পদে  নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক এ প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে একাধিক পদ বিদ্যমান রয়েছে। আবেদন করতে বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ ভালো ভাবে পড়ে দেখুন।  কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সামারি: Name of Organization : Bangladesh Community Clinic under Director General of Health Service. Name of Vacancy Post : একাধিক পদ Total Vacancy: See the job circular Apply Last Date: See the job circular Job Location : Your Community Clinic Under Your Block   Bangladesh Community Clinic Job Circular 2020 PDF Community Clinic Jobs Circular Official website: http://cc.recruitmentbd.net/ আবেদন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুণ Bangladesh Community Clinic Job Circular 2023.

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ভুল সংশোধন

ড্রাইভিং লাইসেন্স কি এটা মনে হয় আমরা মোটামুটি সকলেই জানি। তবে ড্রাইভিং লাইসেন্স হচ্ছে মূলত মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী সড়কে বা সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় গাড়ি চালানোর অনুমতি পত্র বা কার্ড। অথাৎ এই কার্ড এর মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি সড়কে বা সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়ে থাকে। তবে এই লাইসেন্স না থাকলে যে গাড়ি চালানো যাবে না এই নজির বাংলাদেশ এ খুব কমই চোখে পড়ে। আবার লাইসেন্স বিহীন ভাবে গাড়ি চালাতে অনেকেই কেস খেয়েছেন এমন নজির ও কম নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ড্রাইভং লাইসেন্স করতে প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।এই লার্নার সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে দেওয়া হয়ে থাকে। তবে প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলায় বিশেষ করে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে এটি পেতে পারেন। তবে বেশ কিছু শত্য রয়েছে এটার জন্য। প্রথমত আপনাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য নূন্যতম বয়স ২০ বছর হতে হবে। তবে অপেশাদার হিসেবে ১৮ বছর হলেই হবে।  লার্নার এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি:  প্রথমত আপনার প্রয়োজনীয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্ধারিত আবেদন ফরম।  রেজিষ্ট্রার ডাক্তার কর্তৃক আ