Skip to main content

মধ্যস্তরের মানুষের মত প্রকাশের ঠিকানা

মধ্যস্তরের মানুষের মত প্রকাশের ঠিকানা- সোস্যাল মিডিয়া

মধ্যস্তরের মানুষের মত প্রকাশের একটাই ঠিকানা- 
সোস্যাল মিডিয়া। অথাৎ ফেইজবুক।
সময়টা ভালো যাচ্ছে না সেটা বেশ বুঝতে পারছি!
কিন্তু কেন?
খুদ কি তাহলে আমাতেই রয়ে গেছে!
না!
এমনতো হবার কথা না। 
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খুব বেশি গ্রহণ করতে পারিনি;
৮০’র দশকের মেধাবি ছাত্রের মতোও ছিলাম না কখনও;
একশ দশকের পরের দশকে স্কুল পেরিয়েছিলাম একবার
তারপর থেকেই কর্মজীবনে।
জীবনের তাগিদে কত কিছুই না করলাম!
কিন্তু কখনও কারো সাথে বেইমানি করতে পারলাম না। 
বোধহয় সেজন্যই আমি এখনও বড় হতে পারলাম না।
কখনও নিজের ভুলের কারণে মানুষের গালের তোষাণলে
আবার কখনও ভুল না করেও তোষাণলে। 
এ কেমন বিচার!
পত্রিকার কলাম, দেওয়ালের গায়ে লাগানো পোস্টার
আর লোকমুখের নীতিবাক্যে শোনা “আইন অন্ধ হয়”
খুব কৌতুহল বশতঃই জানার ইচ্ছা হলো-
আইন কেন অন্ধ হয়?
উত্তর খুঁজতে িপ্রাতিষ্ঠানিক ভাবে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন শুরু করা।
২ বছর পেড়িয়ে গেল। 
কিছুই জানতে পারলাম না। 
ছেরে দিলাম না ঠিকই; পাশে রেখে, পাশ কাটিয়ে
আবারও আমি কর্ম ব্যবস্ততায়।
কর্মের শহরে সবাইনীতিবাক্য শোনায়,
কিন্তু পেছনে কেউ দেখতে পায় না।
হ্যাঁ, এবার আমি বুঝলাম আইন কেন অন্ধ হয়। 
অর্থের বিনিময়েই সেবা দিয়ে থাকি ঠিকই
কিন্তু এত অর্থও কেউ দেয়নি যাতে আমি খুব আকৃষ্ট হতে পারি।
বরং বরাবরই আমিই বেশি দিয়ে যাই।
দক্ষতার জন্যই অনেকেই আসেন নিকটে
না করি
তারপরও শোনেন না।
অবশেষে সেই একই নীতিবাক্য
ভুলের তোষাণল ইত্যাদি ইত্যাদি।
কেন সবাই নিজেকে দিয়েই যাচাই/বিচার করেন
অন্যের অবস্থান থেকে নয়!
ক্ষমতা প্রাপ্তি, ক্ষমতা অপসারণ
এ বহুকাল পূর্বের চলমান প্রবাহ।
চরম ক্ষমতার অধিকারী তিনিই
যিনি সর্বাধিক আলোচিত হন এবং হচ্ছেন
তাকে অপসারণের কোন সুযোগ নেই।
ক্যারেকটার ভিন্ন জিনিস
এটা সবার এক নয়।
এমনকি শুধুমাত্র ক্যারেকটার দিয়ে
কারো মাপকাঠি করাও ঠিক নয়। 
আপনি ভাববেন আমিই জ্ঞানী, তাহলে আমি কেন নয়!
যার যার অবস্থান থেকে সবাই জ্ঞানী।
ক্ষুদ্র তো ক্ষুদ্রই!!
যদি তাই হতো তাহলে সময়ের পরিক্রমায়
কেন কেউ পিছিয়ে যায়, আবার কেউ এগিয়ে।
অসাধ্য সাধন ওর দ্বারাই সম্ভব,,,,,,, ও পারবে,,,,,,
আমিও পারবো,,,,,
আমিও াাসবো একদিন,,,,,
সেদিন আমিও নীতিবাক্য শোনাবে এভাবে.......
আইন আসলে অন্ধ হয় সত্যের কাছে।
-তাপস ‍কুমার।

Comments

Popular posts from this blog

সোলার প্যানেল (Solar Panel) ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা ও দাম

সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়িনিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প মাধ্যম। কম বেশি আমরা সবাই জানি সোনাল প্যানেল সূর্যের তাপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে। সোলার প্যানেল যেমন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা আছে, তেমনি আবার এটি ব্যবহারে বেশ অসুবিধাও রয়েছে। এটি ব্যবহার বা কিনতে হলে কত টাকার প্রয়োজন হবে; আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে আমরা বিস্তারিত জানবো।  সোলার প্যানেল (Solar Panel) কি? সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়নিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্নের বিকল্প একটি মাধ্যম। অথাৎ সূর্য্যের তাপ কে ফটোভোলটাইক এ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার মাধ্যমই হলো সোলার প্যানেল। সোলার প্যানেল শক্তির উৎস হিসেবে সূর্যের আলোকে শোষণ করে। সোলার প্যানেল সূর্যের তাপশক্তি শোষণ করে বৈদ্যুতিক প্রবাহ  তৈরি করে। মূলত একটি গ্লাস লেয়ারের সাথে ইন্সুলেট লেয়ার এবং প্রতিরক্ষামূলক সীট এর সমন্বয়ে সোলার প্যানেল তৈরি হয়। যার উপর সূর্যের আলো পড়ে এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। অথাৎ এক কথায় আমরা বলতে পারি সূর্যের তাপের সৌরশক্তি শোষণ করে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে এই সোলার সিস্টেম।  সোলার প্যানেল কত প্রকার? সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনই হলো স

কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

Bangladesh Community Clinic job circular 2023 has been published under Director General of Health Service Bangladesh. Bangladesh Community clinic job circular 2023. Director General of Health Service job Circular 2023. কমিউনিটি ক্লিনিক এ বিভিন্ন পদে  নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক এ প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে একাধিক পদ বিদ্যমান রয়েছে। আবেদন করতে বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ ভালো ভাবে পড়ে দেখুন।  কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সামারি: Name of Organization : Bangladesh Community Clinic under Director General of Health Service. Name of Vacancy Post : একাধিক পদ Total Vacancy: See the job circular Apply Last Date: See the job circular Job Location : Your Community Clinic Under Your Block   Bangladesh Community Clinic Job Circular 2020 PDF Community Clinic Jobs Circular Official website: http://cc.recruitmentbd.net/ আবেদন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুণ Bangladesh Community Clinic Job Circular 2023.

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ভুল সংশোধন

ড্রাইভিং লাইসেন্স কি এটা মনে হয় আমরা মোটামুটি সকলেই জানি। তবে ড্রাইভিং লাইসেন্স হচ্ছে মূলত মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী সড়কে বা সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় গাড়ি চালানোর অনুমতি পত্র বা কার্ড। অথাৎ এই কার্ড এর মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি সড়কে বা সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য জায়গায় গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়ে থাকে। তবে এই লাইসেন্স না থাকলে যে গাড়ি চালানো যাবে না এই নজির বাংলাদেশ এ খুব কমই চোখে পড়ে। আবার লাইসেন্স বিহীন ভাবে গাড়ি চালাতে অনেকেই কেস খেয়েছেন এমন নজির ও কম নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ড্রাইভং লাইসেন্স করতে প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।এই লার্নার সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে দেওয়া হয়ে থাকে। তবে প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলায় বিশেষ করে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে এটি পেতে পারেন। তবে বেশ কিছু শত্য রয়েছে এটার জন্য। প্রথমত আপনাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য নূন্যতম বয়স ২০ বছর হতে হবে। তবে অপেশাদার হিসেবে ১৮ বছর হলেই হবে।  লার্নার এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি:  প্রথমত আপনার প্রয়োজনীয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্ধারিত আবেদন ফরম।  রেজিষ্ট্রার ডাক্তার কর্তৃক আ